1. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  2. md.masudrana2008@gmail.com : admi2017 :
  3. info.motaharulhasan@gmail.com : motaharul :
  4. email@email.em : wpadminne :

ক্রিকেটার-নায়কদের সঙ্গে বার বার সম্পর্কে জড়িয়েছেন শ্রুতি

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩০৩ বার
বার বার সম্পর্কে জড়িয়েছেন শ্রুতি
শ্রুতি হাসন

বিনোদন ডেস্ক : সুযোগের জন্য ঘুরতে হয়নি দরজায় দরজায়। বরং, কমল হাসনের মেয়ের কাছে সুযোগ এসেছিল যেচেই। নায়িকা হিসেবে প্রথম ছবির আগে নিজেই খারিজ করেছেন বহু ছবি। সেরা নায়িকার দৌড়ে না থেকে জীবনকে উপভোগ করতে ভালবাসেন শ্রুতি হাসন।

কমল-সারিকার বড় মেয়ে শ্রুতির জন্ম ১৯৮৬ সালের ২৮ জানুয়ারি। তখনও কমল হাসনের খাতায় কলমে বিচ্ছেদ হয়নি তাঁর প্রথম স্ত্রী বাণী জয়রামের সঙ্গে। ফলে কমল এবং সারিকা ছিলেন লিভ ইন সম্পর্কে। শ্রুতি যখন ২ বছরের, বিয়ে করেন তাঁর বাবা-মা।

চেন্নাইয়ে স্কুলপাঠ শেষ করার পরে শ্রুতির পড়াশোনা মুম্বইয়ের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ কলেজে। স্কুলে শ্রুতি অবশ্য ‘পূজা রামচন্দ্রন’ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। কারণ তিনি চাননি সহপাঠীরা তাঁকে স্টারকিড হিসেবে চিনুক।

মনস্তত্ত্বের ছাত্রী শ্রুতি স্কুলের পর পাড়ি দেন ক্যালিফর্নিয়া। সেখানে আর মনস্তত্ত্ব নয়। এ বার শ্রুতি মিউজিশিয়ানস ইনস্টিটিউটে সঙ্গীতশাস্ত্রের ছাত্রী।

সিনেমায় আত্মপ্রকাশ শৈশবেই। বাবা কমল হাসনের পরিচালনায় তিনি অভিনয় করেন ‘হে রাম’-এ। বড় হয়ে তাঁকে নায়িকা হিসেবে প্রথম দেখা গিয়েছে ২০০৮ সালে ইমরান খানের বিপরীতে ‘লাক’ ছবিতে। তার আগে বেশ কিছু ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ শ্রুতি ফিরিয়ে দেন বলে শোনা যায়। মাধবনের বিপরীতে একটি ছবিতে তাঁর অভিনয়ের কথা ছিল। সেই ছবি খারিজ হয়ে যায়।

‘লাক’ ছবির নায়ক ইমরান ছিলেন শ্রুতির শৈশবের বন্ধু। তিনিই পরিচালকের কাছে শ্রুতির নাম প্রস্তাব করেন। পরে সম্পূর্ণ চিত্রনাট্য পড়ে তবেই রাজি হন শ্রুতি। ছবির অ্যাকশন-দৃশ্যের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করেছিলেন তিনি। কিন্তু বক্স অফিসে ‘লাক’-এর ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না। নজর কাড়তে ব্যর্থ হন শ্রুতিও। বেশির ভাগ চলচ্চিত্র সমালোচকই তাঁকে ‘সিন্থেটিক’ বলে অভিহিত করেন। বিরূপ বিশেষণ থেকে শ্রুতি রেহাই পাননি তাঁর কেরিয়ারের দ্বিতীয় হিন্দি ছবি ‘দিল তো বচ্চা হ্যায় জি’-তেও। মধুর ভান্ডারকরের এই ছবি বক্স অফিসে তুমুল সাফল্য পায়। কিন্তু শ্রুতির সাফল্য অধরাই থেকে যায়।

হিন্দির পাশাপাশি চলছিল দক্ষিণ ভারতীয় ভাষার ছবিতে অভিনয়ও। সেখানেই প্রথম ব্রেক পান শ্রুতি। রজনীকান্তের বড় মেয়ে ঐশ্বর্যার প্রথম পরিচলানায় মুক্তি পায় ‘থ্রি’। ২০১২ সালের এই ছবিতে নায়ক ছিলেন ঐশ্বর্যার স্বামী ধনুষ। তাঁর বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় শ্রুতি হাসন।

রজনীকান্ত এবং কমল হাসন, দুই সুপারস্টারের মেয়ে একই ছবিতে কাজ করছেন, ফলে এই ছবির দিকে সকলের নজর ছিল প্রথম থেকেই। বক্স অফিসে মাঝারি হিট ছবির গান ‘হোয়াই দি কোলাভেরি ডি’ তুমুল জনপ্রিয় হয়। প্রশংসিত হয়েছিল শ্রুতির অভিনয়ও।

শ্রুতির হিন্দি ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাকি ছবি হল ‘রমাইয়া বস্তাভাইয়া’, ‘ডি ডে’, ‘তেবর’, ‘গব্বর ইজ ব্যাক’, ‘ওয়েলকাম ব্যাক’, ‘দেবী’ এবং ‘ইয়ারা’। একইসঙ্গে তিনি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিরও নায়িকা। তুলনামূলক ভাবে সেখানেই তাঁর সাফল্য কিছুটা হলেও বেশি।

নায়িকা শ্রুতি গায়িকাও। প্লেব্যাক জীবন শুরু মাত্র ৬ বছর বয়সে। ইল্লাইয়ারাজার সঙ্গীত পরিচালনায় তিনি গান করেছিলেন কমল হাসন অভিনীত তামিল ছবি ‘থেবর মাগন’-এ। হিন্দি ছবিতে প্লেব্যাকের হাতেখড়ি কমলেরই পরিচালনায় ‘চাচি ৪২০’ ছবিতে। ‘হে রাম’-এর তামিল ও হিন্দি, দু’টি সংস্করণের টাইটেল সুরেই তিনি গলা মিলিয়েছিলেন বাবা কমল হাসনের সঙ্গে।

এ ছাড়াও হিন্দি ছবি ‘লাক’, ‘হিশশ’-সহ বেশ কিছু দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতেও প্লেব্যাক করেছেন শ্রুতি। বিনোদন দুনিয়া তাঁকে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবেও পেয়েছে। জনপ্রিয় মডেল শ্রুতি ৮টি ভাষায় কথা বলে পারেন।

শ্রুতি যখন ১৮ বছরের, বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁর বাবা-মায়ের। দুই মেয়ে শ্রুতি এবং অক্ষরাকে নিয়ে আলাদা হয়ে যান সারিকা। তিনি আর বিয়ে করেননি। তবে কমল হাসন লিভ ইন করেছেন নায়িকা গৌতমীর সঙ্গে। গৌতমীর সঙ্গেও শ্রুতি এবং অক্ষরার সম্পর্ক ভাল।

শ্রুতিকে জড়িয়েও একাধিক পুরুষের নাম শোনা গিয়েছে। তামিল নায়ক তথা প্লে ব্যাক গায়ক সিদ্ধার্থ সূর্যনারায়ণনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। এর পর কেরিয়ারের শুরুতে অভিনেতা ধনুষ এবং নাগা চৈতন্যের সঙ্গেও শ্রুতির প্রেমের গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল।

তবে শ্রুতির যে প্রেমের গুঞ্জন সবথেকে বেশি স্থায়ী হয়েছিল, সেই সম্পর্ক ছিল ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার সঙ্গে। দু’জনের আলাপ হয়েছি এক কমন বন্ধুর মাধ্যমে। এর পর আইপিএল-এ সুরেশের খেলা মানেই গ্যালারিতে শ্রুতি ছিলেন চেনা মুখ। তাঁকে নিজের ‘লাকি ম্যাসকট’ বলে মনে করতেন সুরেশ।

কিন্তু কিছু বছরের মধ্যেই ভেঙে যায় সম্পর্ক। দু’জনের কেউই স্বীকার করেননি তাঁদের প্রেমের কথা। ফলে বিচ্ছেদের কারণও প্রকাশ্যে আসার প্রশ্ন নেই। ২০১৫ সালে সুরেশ বিয়ে করেন বাল্যবন্ধু প্রিয়ঙ্কাকে। শ্রুতি অবশ্য এখনও অবিবাহিত।

তবে শ্রুতি নিজেই পরে জানিয়েছেন তাঁর প্রেমের কথা। তিনি এখন ডেটিং করছেন মঞ্চাভিনেতা মাইকেল কোরসেলের সঙ্গে। শ্রুতির ইনস্টাগ্রাম জুড়ে শুধুই দু’জনের অন্তরঙ্গ ছবি।

ফ্যাশন সচেতন শ্রুতি নিজের লুক ঘন ঘন পরিবর্তন করতে ভালবাসেন। চেহারায় কাটাছেঁড়া করানো নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে নানা কথা শুনতে হয়েছে তাঁকে।

নানা রকমের ট্যাটু এবং বাহারি জুতোর প্রতি আকর্ষণ আছে শ্রুতির। দেহে একাধিক ট্যাটু করিয়েছেন। শোনা যায়, তাঁর জুতো আছে শতাধিক জোড়া।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে নিজের বক্তব্য সাফ জানান শ্রুতি। সেখানে খোলাখুলি এ-ও বললেন যে, প্লাস্টিক সার্জারি তিনি করিয়েছেন এবং তা নিয়ে বিন্দুমাত্র লজ্জিত নন।

বাংলার বিবেক ডট কম১১ নভেম্বর, ২০২০

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 BanglarBibek
Customized BY NewsTheme