1. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  2. md.masudrana2008@gmail.com : admi2017 :
  3. info.motaharulhasan@gmail.com : motaharul :
  4. email@email.em : wpadminne :

রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারী মুক্তা ও সাব্বিরকে আটকের দুইদিন পর আদালতে চালান

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২১২ বার
রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারী মুক্তা ও সাব্বিরকে আটকের দুইদিন পর আদালতে চালান
রাজশাহীর শীর্ষ মাদককারবারী মুক্তা ও সাব্বিরকে আটকের দুইদিন পর আদালতে চালান

রাজশাহী প্রতিনিধি : রাজশাহীর চারঘাটে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী মুক্তা ও সাব্বিরকে আটকের দুইদিন পর আদালতে চালান দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে আটককালে কালো রঙের একটি পালসার মোটরসাইকেল জব্দ করলেও তা জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি। রিমান্ডে নিয়ে তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হবে না- এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুক্তার পরিবারের কাছ থেকে নগদ তিন লাখ টাকাও নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

ঘটনা প্রসঙ্গে মুক্তার স্ত্রী বলেন, ১৮ জানুয়ারি রাত ১০টার দিকে আমার স্বামীকে বাড়ির সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায় থানার এসআই অপূর্ব‘র নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। পরে বাসা থেকে পালসার মোটরসাইকেলটিও তুলে নিয়ে যায় তারা। এছাড়া থানায় আটক থাকাকালে টর্চার করা হয় মুক্তাকে। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হয়। মুক্তার স্ত্রী জানান, আমার স্বামীকে রিমা-ে নিয়ে নির্যাতন করা হবে না- পুলিশের এমন প্রতিশ্রুতিতে আমার মামির মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা পুলিশকে দেয়া হয়। এরপর ২০ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে আমার স্বামীকে আদালতে নেয়া হয়।

১৮ জানুয়ারি রাতে মুক্তা আটকের খবর পেয়ে চারঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমের সাথে মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরদিন ১৯ জানুয়ারি দুপুরে ওসি মাদক ব্যবসায়ী মুক্তাকে রাতে আটকের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাকে নিয়ে অভিযান চলছে। বিষয়টি সেনসিটিভ। আপনাকে বলা যাবে না।

চারঘাট সার্কেলের এএসপি নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি টাকা নেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। আর মোটরসাইকেলটি পরের দিন জব্দ তালিকায় দেখানো হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুইদিন আটক রাখার সুযোগ নেই। হয়তো দু‘এক ঘণ্টা সময়ের হেরফের হতে পারে।

এদিকে, সম্প্রতি ওসির বডিগার্ড রাব্বির সাথে মাদক ব্যবসায়ী আলীম ওরফে কালুর কথপোকথনের একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, আলীম বডিগার্ড রাব্বীকে বলছেন, ওসি স্যার আমার কাছ থেকে প্রতি মােেস এক লাখ টাকা করে চেয়েছেন। এটা কীভাবে সম্ভব। ওসির দাবিকৃত টাকা দিলে আমার স্ত্রীর নামে পলাতক আসামি দেখিয়ে মাদক মামলা দেয়া হতো না। এদিকে কালু মাদক ব্যবসায়ী হলেও তার স্ত্রীর মাদকের সাথে কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেন কালু।

স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ী পাঞ্জা, ঠসা মাসুম, লতিফসহ অর্ধশতাধিক চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের কতিপয় সদস্যকে মাসোহারা দিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাংলার বিবেক ডট কম – ৩০ জানুয়ারি, ২০২১

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 BanglarBibek
Customized BY NewsTheme