1. admin@zzna.ru : admin@zzna.ru :
  2. md.masudrana2008@gmail.com : admi2017 :
  3. info.motaharulhasan@gmail.com : motaharul :
শিরোনাম :
চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাত; ভুয়া এনএসআই কর্মকর্তা গ্রেফতার চাকরির প্রলোভনে ভারতে গিয়ে আটকে পড়া ১০ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন সরিষার বাম্পার ফলন, দাম না পেয়ে হতাশ কৃষক স্ত্রী উপাসনার পায়ে মালিশ করে দিচ্ছেন রামচরণ! ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই শুরু চর্চা পত্নীতলায় ফুলকুঁড়ি লার্নারস একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মাদক মামলার ২আসামী পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সাগর মাতবর গ্রেফতার গোদাগাড়ীতে স্মরণকালের সর্ববৃহত শোডাউন রাণীশংকৈলে ভোটার দিবস পালিত তানোরে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সড়ক-সেতুর উন্নয়নে জনমনে স্বত্তি জামনগরে রিহানা! অনন্ত এবং রাধিকার প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানে গান গাইতে কত টাকা নিচ্ছেন পপ গায়িকা?
শিরোনাম :
চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাত; ভুয়া এনএসআই কর্মকর্তা গ্রেফতার চাকরির প্রলোভনে ভারতে গিয়ে আটকে পড়া ১০ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন সরিষার বাম্পার ফলন, দাম না পেয়ে হতাশ কৃষক স্ত্রী উপাসনার পায়ে মালিশ করে দিচ্ছেন রামচরণ! ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই শুরু চর্চা পত্নীতলায় ফুলকুঁড়ি লার্নারস একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মাদক মামলার ২আসামী পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সাগর মাতবর গ্রেফতার গোদাগাড়ীতে স্মরণকালের সর্ববৃহত শোডাউন রাণীশংকৈলে ভোটার দিবস পালিত তানোরে এলজিইডির তত্ত্বাবধানে সড়ক-সেতুর উন্নয়নে জনমনে স্বত্তি জামনগরে রিহানা! অনন্ত এবং রাধিকার প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানে গান গাইতে কত টাকা নিচ্ছেন পপ গায়িকা?

রাজশাহীর চাষিরা বিএডিসিতে বীজ দিয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছে

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ, ২০২১
  • ১৬৬ বার
ফাইল ফটো

রাজশাহী : বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) আমন ধানের বীজ সরবরাহ করে ক্ষতির মুখে পড়েছেন রাজশাহী অঞ্চলের দুই হাজার ৪২৪ জন চাষি। বিএডিসি থেকে তাদের বীজের যে দাম দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে তাতে উৎপাদন খরচই উঠবে না। তাই তারা চেক প্রত্যাখান করেছেন।

বিএডিসির রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয় জানিয়েছে, মৌসুম শেষে চুক্তিবদ্ধ চাষিদের কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করা হয়। এবার বিএডিসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রাজশাহী জোনের চারটি জেলার দুই হাজার ৪২৪ জন চাষি আমন ধানের বীজ উৎপাদন করেছেন। বিএডিসির জন্য আমন ধানের বীজ উৎপাদন হয়েছিল চার জেলার প্রায় পাঁচ হাজার একর জমিতে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে বীজ সংগ্রহ শুরু করে বিএডিসি। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত বীজ সংগ্রহ করা হয়।

রাজশাহী জোনের রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে মোট ২৯০ মেট্রিক টন বীজ সংগ্রহ করা হয়েছে। এবার মোটা বীজ ৩৮ টাকা কেজি ও চিকন বীজ ৩৯ টাকা দর নির্ধারণ করে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। তিন দিন আগে চাষিদের চেক দেয়া শুরু হয়। কিন্তু দাম কম হওয়ার কারণে চাষিরা চেক গ্রহণ করেননি। দাম বৃদ্ধির দাবিতে বুধবার সকালে রাজশাহীতে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। সকাল সাড়ে ১০টায় মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন বিএডিসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ চাষিরা।

মানববন্ধনে চাষিরা জানান, চুক্তিপত্রে বীজের দর উল্লেখ ছিল না। বাজারে সাধারণ ধানের সর্বোচ্চ যে খুচরা মূল্য থাকে তার সঙ্গে ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে বিএডিসি থেকে বীজের মূল্য পরিশোধ করা হয়। কিন্তু এবার সেটাও করা হয়নি। এখন বাজারে ধানের দাম বেশি হলেও বিএডিসি বীজের দাম দিচ্ছে কম। এ কারণে তারা চেক প্রত্যাখান করে দাম বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তায় দাঁড়িয়েছেন।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বিএডিসির রাজশাহী জোনের চুক্তিবদ্ধ চাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, ভাল ফসলের জন্য ভাল বীজ প্রয়োজন। আর ভাল বীজের জন্য প্রয়োজন বাড়তি পরিচর্যা। বাড়তি পরিচর্যা করে বীজের উৎপাদন খরচ পড়েছে কেজিপ্রতি কমপক্ষে ৪২ টাকা। আর বিএডিসি দাম দিচ্ছে ৩৮ টাকা। এই দাম দিলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এ কারণে তারা বীজের দাম কমপক্ষে ৪৮ টাকা নির্ধারণের দাবি জানাচ্ছেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান পিপুলের পরিচালনায় এতে বক্তব্য দেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মাজদার রহমান, সহ-সভাপতি মো. তাজউদ্দীন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ফটিক, কোষাধ্যক্ষ আবদুল আওয়াল, সদস্য আবদুস শুকুর, হায়দার আলী, নওয়াব আলী প্রমুখ। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন এলাকার চুক্তিবদ্ধ চাষিরা অংশ নেন।

তারা জানিয়েছেন, বাড়তি খরচ করে ভাল বীজ উৎপাদন করেও যদি নায্যমূল্য না পান তাহলে তারা বীজের উৎপাদন বন্ধ করে দেবেন। বিএডিসি তখন নিম্নমানের বীজ কিনতে বাধ্য হবে। ওই বীজই আবার প্রান্তিক চাষিদের কাছে সরবরাহ করা হবে। এর ফলে ধানের উৎপাদন কমে আসবে। এমন সংকট কাটাতে তারা তাদের বীজের নায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবি জানান।

জানতে চাইলে বিএডিসির রাজশাহীর উপ-পরিচালক জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারে ধানের মূল্য কত সেটা আমরা কৃষি বিপণন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জেনে নিই। তার সঙ্গে ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে বীজের মূল্য নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাই। সেখান থেকেই মূল্য নির্ধারণ হয়ে আসে। এবার আমরা যখন প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম তখন বাজারে ধানের দাম কম ছিল। পরে সেটা বেড়েছে। এর আগেই বিএডিসির সারাদেশের ৩৮টি জোনের জন্য বীজের মূল্য ঠিক হয়ে যায়। নির্ধারণ করে দেয়া এই দর ধরে চাষিরা চেক নেননি।’

এখন বীজের মূল্য ৩৮-৩৯ টাকা দেয়া হলে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে বিএডিসির এই কর্মকর্তা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘চাষিরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হন সে জন্য আমরা বীজের মূল্য পুনঃনির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এবার বীজের মূল্য ৪৬ থেকে ৪৭ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছি। এই প্রস্তাব যদি অনুমোদন হয় তাহলে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।’

বাংলার বিবেক /এম এস

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 BanglarBibek
Customized BY NewsTheme