1. md.masudrana2008@gmail.com : admi2017 :
  2. info.motaharulhasan@gmail.com : motaharul :

মানব শরীরে ৯০ শতাংশ কাজ করবে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৯০ বার
৯০ শতাংশ কাজ করবে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন
ফাইল ফটো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানাচ্ছে অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড মানব শরীরে ৯০ শতাংশ কার্যকরী প্রমাণিত হবে। যতগুলি ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বে কাজ হচ্ছে, তার মধ্যে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনটি সবথেকে বেশি কার্য়করী ও নিরাপদ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্রিটেনের অ্যাস্ট্রাজেনেকা সোমবার জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত কোভিশিল্ড ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই সম্ভবত তৈরি হয়ে যেতে পারে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিন। ভারতে এই ভ্যাকসিনের ওপর কাজ করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তৈরি হয়ে যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সেরাম প্রধান আদর পুনাওয়ালা।

এই মুহুর্তে ব্রিটেন ও ব্রাজিলে কোভিশিল্ডের যে ট্রায়াল চলছে, তার ফলের ওপর ভিত্তি করেই এই খবর জানিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এখনও পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি। প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবকের শরীরেই ভালো ফল দিয়েছে কোভিশিল্ড। অ্যাস্ট্রাজেনেকার চিফ এগজিকিউটিভ প্যাস্কাল সোরিয়ট এক বিবৃতে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে কাজ এগোচ্ছে। খুব দ্রুত এই ভ্যাকসিন সবাই পাবেন।

অধীর আগ্রহে অপেক্ষা চলছে করোনার ভ্যাকসিনের জন্য। সেই পরিস্থিতিতেই আশার আলো দেখাচ্ছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে বর্তমানে। সূত্রের খবর নভেম্বরের শেষে অথবা ডিসেম্বরের শুরুতেই এই ট্রায়ালের ফল মিলবে।

একই ভাবে জানা যাবে সেরাম ইনস্টিটিউটের তত্বাবধানে তৈরি হওয়া ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ফলও। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ থেকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। পুনেতে শুরু হয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। তৃতীয় পর্যায়ের হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট। স্যাসুন জেনারেল হসপিটালে এই তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে বলে খবর।

এদিকে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, ২০২১-এর মার্চ মাসের মধ্যেই ভ্যাকসিন বাজারে এসে যাবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই ২০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ভ্যাকসিনের ডোজ পাওয়া যাবে। সাধারণত একটি ভ্যাকসিন তৈরি করতে ৮-১০ বছর সময় লাগে। কিন্তু এই নিয়ে তৃতীয় বার খুব কম সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরি করতে হচ্ছে। আশা করা যায় তা কার্যকরী ও নিরাপদ হবে।

বাংলার বিবেক ডট কম২৪ নভেম্বর, ২০২০

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2020 BanglarBibek
Customized BY NewsTheme