
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈসা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম হিরোক, গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ও গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হযরত আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আয়োজক কমিটি জানায়, ১৯৮৬ সাল থেকে এলাকার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে এ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে। এবার ২৯তম আসরে আটটি জেলার আটটি দল অংশ নিচ্ছে। বিশেষত্ব হলো, এবারই প্রথম কোনো ধরনের এন্ট্রি ফি ছাড়াই দলগুলোকে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ডা. আতিকুজ্জামান বলেন, এ খেলা পালপুর ধরমপুর এলাকার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য। এলাকার মানুষ ঈদের চেয়েও বেশি আনন্দ নিয়ে এ আয়োজনের অপেক্ষায় থাকেন। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ মাঠে এসে খেলা উপভোগ করেন। পূর্বপুরুষদের শুরু করা এ ঐতিহ্য ধরে রাখতেই প্রতিবছর এমন আয়োজন করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈসা বলেন, পালপুর এলাকা একটি শিক্ষিত ও সুনামধন্য জনপদ। এ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও সুনামের সঙ্গে এ আয়োজন ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও এ ধরনের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে তাঁর পক্ষ থেকে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
বিশেষ অতিথি সাইফুল ইসলাম হিরোক বলেন, এ ধরনের আয়োজন এলাকার ঐক্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি নিজেকে এ এলাকার সন্তান উল্লেখ করে বলেন, তাঁর বড় ভাই অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তিনি সব সময় এলাকার মানুষের পাশে রয়েছেন।
সাইফুল ইসলাম হিরোক আরও বলেন, বিএনপির কারাবন্দি ও নির্যাতিত নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে তাঁর বড় ভাইয়ের নির্দেশনায় তিনি রাতের বেলায় বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাড়িতে গিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সাধ্যমতো আর্থিক ও অন্যান্য সহযোগিতা করেছেন। তাঁর বড় ভাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তাঁরা সব সময় এলাকাবাসীর পাশে রয়েছেন। এলাকার মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কথা জানালে তা পূরণে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় দর্শক ও এলাকাবাসী অংশ নিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন।





